Description
বৈশিষ্ট্য
শক্তি হেপ্টাজিংক
জিঙ্কের প্রয়োজনীয়তা:
জিঙ্ক একটি অত্যাবশ্যকীয় উদ্ভিদ পুষ্টি উপাদান। সারা বছর পানিতে নিমজ্জিত মাটিতে সাধারণত জিঙ্কের ঘাটতি থাকে। জিঙ্কের ঘাটতি ফসলের উৎপাদন ৩৫% পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে। গুণগতমানের ফসল এবং কাঙ্ক্ষিত উৎপাদনের জন্য ইস্পাহানি শক্তি হেপ্টাজিংক ব্যবহার করুন।
ঘাটতির লক্ষণসমূহ:
১. ফসলের কচি পাতার মধ্য শিরা বিশেষত পাতার গোড়ার অংশ সাদা হয়ে যায়।
২. পুরানো পাতায় ছোট ছোট মরিচার মতো দাগ দেখা যায় এবং তা বাদামী রঙ ধারণ করে।
৩. পাতার আকার ছোট হয় এবং কিছু পাতার কিনারা কুঁচকে যায়।
৪. ফসলের বৃদ্ধি ধীর হয় এবং ফসল পরিপক্ক হতে দেরি হয়।
৫. ধানের কুশি কমে যায় এবং উৎপাদন হ্রাস পায়।
ইস্পাহানি শক্তি হেপ্টাজিংকের উপকারিতা:
১. শস্য ফসলের দানাকে পুষ্টি জোগায়।
২. গাছকে সবুজ ও সতেজ রাখে এবং ফসলের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
৩. ধানের কুশির সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
৪. ফুল, ফল এবং বীজের সঠিক গঠন নিশ্চিত করে।
৫. ফসলের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৬. সর্বোপরি, ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।
প্রয়োগ ক্ষেত্র:
ধান, গম, ভুট্টা এবং আলুসহ সব ধরনের তৈলজাতীয় ফসল, ডাল জাতীয় ফসল, শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন শাকসবজি, ফুল এবং ফল ফসলের জন্য ইস্পাহানি শক্তি হেপ্টাজিংক ব্যবহার করুন।
প্রয়োগ মাত্রা:
- প্রতি একরে ৩-৫ কেজি ইস্পাহানি শক্তি হেপ্টাজিংক প্রয়োগ করতে হবে।
- মাটিতে জিঙ্ক ও সালফারের ঘাটতির মাত্রার উপর ভিত্তি করে প্রয়োগের পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে।
প্রয়োগ পদ্ধতি:
- জমি প্রস্তুতির শেষ পর্যায়ে ছিটিয়ে মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হবে।
- ফসল রোপণের ২-৩ সপ্তাহ পরেও প্রয়োগ করা যেতে পারে।
সতর্কতা:
১. শিশু, পশু এবং খাদ্যদ্রব্যের নাগালের বাইরে রাখতে হবে।
২. টিএসপি, এসপি এবং ডিএপি সারের সাথে মিশ্রণ করবেন না।
সংরক্ষণ পদ্ধতি:
- শুকনো ও ছায়াযুক্ত স্থানে সংরক্ষণ করুন।
শক্তি হেপ্টাজিংক ব্যবহার করুন, সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করে ফসলের উৎপাদন বাড়ান।






Reviews
There are no reviews yet.