Description
বৈশিষ্ট্য
ময়নামতি শসা: উচ্চ ফলনশীল ও ভাইরাস সহনশীল হাইব্রিড জাত
ময়নামতি শসা বাংলাদেশের অন্যতম উন্নত ও উচ্চমাত্রায় ভাইরাস সহনশীল শসার জাত। এই শসা বিশেষভাবে শিরারোগ বা মোজাইক ভাইরাস প্রতিরোধে সক্ষম। এছাড়া এটি পাতার কুঁকড়ানো (লিফ কার্ল) রোগ, পাতার উপর সাদা পাউডারের মতো দাগ রোগ (পাউডারি মিলডিউ), এবং পাতার উপর হলুদ-বাদামী দাগ পড়া রোগ (ডাউনি মিলডিউ) থেকে সুরক্ষা প্রদান করে।
ময়নামতি শসার বৈশিষ্ট্য
- চমৎকার আকর্ষণীয় রং: এই শসা দেখতে দৃষ্টিনন্দন গাঢ় সবুজ রঙের হয়ে থাকে।
- ভিতরে ফাঁপা নয়: শসার বয়স বেশি হলেও এটি ভিতরে ফাঁপা হয় না এবং কচি থাকে।
- সমান আকৃতি ও আকার: প্রতিটি শসা একই সাইজের হয় এবং কখনো বেঁকে যায় না।
- উচ্চ ফলন: প্রতিটি গিঁটে শসা ধরে, যা ফলন বাড়িয়ে তোলে।
- উচ্চ ওজন ক্ষমতা: প্রতিটি শসার গড় ওজন ২৫০-৩০০ গ্রাম পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- দীর্ঘ জীবনকাল: এই জাতের জীবনকাল দেশের অন্যান্য শসার জাতের তুলনায় দীর্ঘ।
বারমাসি জাত
ময়নামতি শসা বছরের যেকোনো সময় চাষ করা যায়। শীতকাল এবং গ্রীষ্মকাল উভয় ঋতুতেই এটি ভালো ফলন দেয়।
চাষাবাদ ও ফলন সংগ্রহ
- ময়নামতি শসা চাষের ৩০-৩৫ দিনের মধ্যে ফলন সংগ্রহ করা যায়।
- প্রতি ৩৩ শতক জমিতে ১০০ থেকে ১২০ গ্রাম বীজ প্রয়োজন হয়।
বীজের বিবরণ
- জাতের নাম: হাইব্রিড শসা – ময়নামতি
- ওজন: ৫ গ্রাম, ১০ গ্রাম
- অঙ্কুরোদগম হার: ৮০% বা তার বেশি
- বিশুদ্ধতা: ৯৮%
উৎপাদক প্রতিষ্ঠান
এই উন্নত জাতটি সরবরাহ করছে AR Malik Seeds (Pvt.) Ltd., যারা মানসম্মত বীজ উৎপাদনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
ময়নামতি শসা চাষ করুন, উচ্চ ফলন ও সুরক্ষিত চাষাবাদের নিশ্চয়তা পা






Reviews
There are no reviews yet.