Description
বৈশিষ্ট্য
🍉 লাল সবুজ – ফলন, স্বাদ ও লাভের অসাধারণ সংমিশ্রণ 🍉
রঙে লাল, বাহারে সবুজ – সুস্বাদু ও মিষ্টি হাইব্রিড তরমুজের সবচেয়ে জনপ্রিয় জাত
🌱 চাষকাল ও সহনশীলতা
🔹 উন্নত প্রযুক্তিতে উৎপাদিত দ্রুত বর্ধনশীল হাইব্রিড জাত।
📆 রোপণের ৭৫-৮০ দিনের মধ্যেই ফল সংগ্রহযোগ্য – আগাম বাজার ধরার দারুণ সুযোগ।
🌞 গ্রীষ্মকালীন চাষে দারুণ উপযোগী এবং লাভজনক।
🛡️ ফিউজারিয়াম উইল্ট রোগে সহনশীল, তাই কম ঝুঁকিতে চাষ করা সম্ভব।
🌍 বাংলাদেশের মাটি ও জলবায়ুর সাথে চমৎকারভাবে খাপ খায়, ফলে সারাবছরের ব্যবসায়িক চাষে আদর্শ।
🍉 ফলের বৈশিষ্ট্য: রঙ, আকৃতি ও স্বাদ
🟢 বাইরের অংশ সবুজ রঙের উপর গাঢ় ডোরা দাগ – বাজারে নজরকাড়া উপস্থিতি।
❤️ ভিতরের অংশ গাঢ় লাল, রসালো ও মধুর মতো মিষ্টি স্বাদযুক্ত – খুবই জনপ্রিয় ভোক্তাদের মাঝে।
🔸 আকৃতিতে লম্বাটে ও ভারি – প্রতি ফলের গড় ওজন ১০-১২ কেজি।
🛻 শক্ত ত্বকের কারণে সহজে দূরপাল্লায় পরিবহন ও সংরক্ষণযোগ্য।
🍽️ পারিবারিক ব্যবহার, হাট-বাজার বা হোটেল—সব ক্ষেত্রেই আদর্শ।
🚜 উৎপাদন ও কৃষকের মুনাফা
🌾 প্রতি গাছে অধিক ফলন, একরে গড়ে ২৫-৩০ টন পর্যন্ত উৎপাদন সম্ভব।
💰 বাজারে উচ্চ চাহিদা থাকায় কৃষক পান ভালো দাম ও দ্রুত বিক্রয় সুবিধা।
🧑🌾 কম পরিচর্যায় বেশি ফলন – খরচ কম, মুনাফা বেশি।
🎯 চাষের অনুপযুক্ত জমিকেও উৎপাদনশীল করে তোলার সক্ষমতা রাখে।
🌿 পরিবেশ উপযোগিতা ও বাণিজ্যিক সুবিধা
🧱 প্রায় সব ধরনের মাটিতে চাষযোগ্য – বেলে, দোঁআশ, এমনকি মাঝারি ভারী মাটিতেও ভালো ফলন।
⛅ আবহাওয়ার প্রতিকূলতা সহনশীল – চাষে ঝুঁকি কম এবং ফলন স্থায়ীভাবে ভালো থাকে।
🏪 বাজারজাতকরণ সহজ ও দ্রুত, সংরক্ষণযোগ্যতা ভালো – ফলে দূরবর্তী বাজারেও বিক্রয় সুবিধা।
📈 বাণিজ্যিক কৃষিতে সফলতার প্রতীক হিসেবে কৃষকের পছন্দের তালিকায় সবার উপরে।
🔔 আপনার জমিতে হোক রঙিন মুনাফা – লাল সবুজ তরমুজ দিয়ে!
👉 সুস্বাদু, নজরকাড়া ও লাভজনক ফলন নিশ্চিত করতে এখনই বেছে নিন হাইব্রিড তরমুজ “লাল সবুজ”।





Reviews
There are no reviews yet.