Description
বৈশিষ্ট্য
তেজি জিপসাম – ক্যালসিয়াম ও সালফার সমৃদ্ধ ফলন বৃদ্ধির নির্ভরযোগ্য সার
📌 তেজি জিপসামের উপাদান
-
টেজি জিপসাম–এ অন্তত ২০% ক্যালসিয়াম থাকে।
-
এতে ১৬% সালফারও রয়েছে, যা ফসলের পুষ্টির জন্য অত্যন্ত জরুরি।
-
ক্যালসিয়াম ও সালফার সুষমভাবে থাকার ফলে গাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
📌 তেজি জিপসামের ব্যবহারক্ষেত্র
-
ধান, গম, ভুট্টা, আলু এবং ডালশস্যে এটি অত্যন্ত কার্যকর।
-
তেলবীজ, শাকসবজি, সুপারি, ফল এবং ফুল চাষেও টেজি জিপসাম ক্যালসিয়াম সালফার সার ব্যবহার করা হয়।
-
ফসলের ক্যালসিয়াম ও সালফারের ঘাটতি দ্রুত পূরণ করতে এটি অত্যন্ত উপযোগী।
📌 ক্যালসিয়ামের ঘাটতির লক্ষণ
-
গাছের শীর্ষ বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায় এবং কান্ড দুর্বল হয়।
-
পাতার প্রান্ত ও শিরা হলুদ হয়ে কুঁকড়ে যায়।
-
ফুল ও ফলের কুঁড়ি ঝরে পড়ে এবং বীজ অপরিপক্ব থাকে।
-
গাছ খাটো হওয়া ও বৃদ্ধি থেমে যাওয়া ক্যালসিয়াম ঘাটতির লক্ষণ।
📌 সালফারের ঘাটতির লক্ষণ
-
কচি পাতা হলদে হয়ে পড়ে এবং পুরনো পাতাও হলুদ হয়ে যায়।
-
গাছ দুর্বল হয় এবং কুঁড়ির সংখ্যা কমে যায়।
-
পরিপক্বতা বিলম্বিত হয় এবং ফলন কমে যায়।
-
দানার গুণগত মান কমে যায় এবং পাতায় পচন ধরে।
📌 তেজি জিপসামের প্রয়োজনীয়তা
-
ক্যালসিয়াম ও সালফারের ঘাটতির কারণে ফসলের উৎপাদন ২৫% পর্যন্ত কমতে পারে।
-
তেজি জিপসাম ক্যালসিয়াম সালফার সার গাছের কোষ গঠনে সহায়তা করে।
-
শিকড় শক্তিশালী করে এবং কুঁড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
-
নাইট্রোজেন শোষণ বাড়িয়ে গাছকে সবুজ ও শক্তিশালী রাখে।
-
ফসল সময়মতো পরিপক্ব হতে সাহায্য করে এবং দানা গুণগত মান বাড়ায়।
📌 প্রয়োগ মাত্রা
-
প্রতি বিঘায় (৩৩ শতাংশ জমি) ৫-৭ কেজি তেজি জিপসাম প্রয়োগ করুন।
-
মাটিতে ঘাটতির মাত্রা অনুযায়ী প্রয়োগ কিছুটা কম–বেশি হতে পারে।
📌 প্রয়োগ পদ্ধতি
-
জমি প্রস্তুতির শেষ পর্যায়ে মাটির সঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে দিন।
-
ফসলের ঘাটতি দেখা দিলে অতিরিক্ত প্রয়োজনে ছিটিয়ে প্রয়োগ করা যায়।
📌 সতর্কতা
-
শিশু ও পশুর নাগালের বাইরে রাখুন।
-
খাদ্যদ্রব্য থেকে দূরে রাখুন এবং ব্যবহারকালে সাবধানতা অবলম্বন করুন।
📌 সংরক্ষণ পদ্ধতি
-
শুষ্ক ও ছায়াযুক্ত স্থানে তেজি জিপসাম সংরক্ষণ করুন।





Reviews
There are no reviews yet.